রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

তানোরে কীটনাশক ব্যবসার আড়ালে অবৈধ সার বাণিজ্যে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত

বিডি ঢাকা ডেস্ক

 

 

 

রাজশাহীর তানোরের কালীগঞ্জ হাটের কীটনাশক ব্যবসায়ী মেসার্স মিজান টেড্রার্স-এর বিরুদ্ধে কীটনাশক ব্যবসার আড়ালে অবৈধ সার বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মিজান টেড্রার্সের স্বত্ত্বাধিকারী মহব্বত আলী নীতিমালা লঙ্ঘন করে  দীর্ঘদিন যাবত অবৈধ ভাবে বিভিন্ন প্রকারের সার বিক্রি করে আসছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কৃষক বলেন,অতিরিক্ত দামে সার কিনলেও সারের সঙ্গে কীটনাশক কিনতে  কৃষককে বাধ্য করা হচ্ছে। কীটনাশক না নিলে সার দেয়া হচ্ছে না। এসব ঘটনায় কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয়রা জানান, কৃষি বিভাগের একশ্রেণীর  কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই অপকর্ম করে আসছেন। বিসিআইসি বা অনুমোদিত সার ডিলার ব্যতিত ইউরিয়া সার নিয়ে আনা বা বিক্রির কোনো সুযোগ নাই। কিন্ত্ত তিনি প্রকাশ্যে দিবালোকে প্রতিনিয়ত ইউরিয়াসহ বিভিন্ন প্রকারের সার নিয়ে এসে বেশী দামে খোলাবাজারে বিক্রি করছেন বিষয়টি যেনো দেখার কেউ নাই।মোহনপুর উপজেলার ধুরইল, মৌগাছী ও কেশরহাট থেকে চোরাপথে সার নিয়ে আসছেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট বিভাগের অনুমোদিত সার ডিলার (ব্যবসায়ী) ব্যতিত সার মজুদ বা খোলাবাজারে বিক্রির কোনো সুযোগ নাই। কিন্ত্ত এই কীটনাশক ব্যবসায়ী ক্রয় রশিদ ব্যতিত চোরাপথে বিভিন্ন এলাকা থেকে সার এনে মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে। এতে বিপাকে পড়েছে অনুমোদিত বৈধ সার (ডিলার)  ব্যবসায়ীরা।

তারা বলছে, অনুমোদন ব্যতিত যদি সার মজুদ বা বিক্রি করা যায়, তাহলে ব্যাংক ঋণ নিয়ে বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে তাদের অনুমোদন নেয়ার কি প্রয়োজন ছিল।
অন্যদিকে গত ১৬ জানুয়ারী শুক্রবার সরেজমিন দেখা গেছে, ইউরিয়া সার এনে দোকানে নামানো হচ্ছে। মিজান টেড্রার্সের দোকানের সঙ্গেই লাগানো পিছনের গুদাম ঘরে সার মজুদ করা হচ্ছে।

এদিকে ক্রয় রশিদ না থাকায় বোঝার উপায় নাই এসব সার আসল,নকল না নিম্নমানের। আবার এসব সার কিনে কৃষকেরা প্রতারিত হলেও ক্রয় রশিদ না থাকায কোনো প্রতিকার পায় না।তখন তারাও সার বিক্রির কথা অস্বীকার করেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে মেসার্স মিজান টেড্রার্সের স্বত্বাধিকারী মহব্বত আলী বলেন,তার সার বিক্রির লাইসেন্স নাই সত্যি,তবে সার না থাকলে কীটনাশক বিক্রি হয় না।তাই বিভিন্ন এলাকা থেকে সার এনে বিক্রি করা হয় বেশী দাম নেয়ার অভিযোগ সত্যি নয়। তিনি বলেন, যাকে খুশি বলেন তার সার বিক্রি বন্ধ হবে না। তিনি দল করেন এটুকু সুবিধা তো তিনি পাবেন, তাছড়া তিনি ব্যবসা করছেন চুরি তো করছেন না।

জানতে চাইলে উপজেলা  কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ  বলেন, অনুমোদিত ডিলার ব্যতিত সার বিক্রির সুযোগ নাই। তিনি বলেন,এবিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2009-2022 bddhaka.com  # গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Developed BY ThemesBazar.Com