শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রীর পাশে দাঁড়ালেন গোমস্তাপুরের ইউএনও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে খাবার মেলা নার্সিং ইনস্টিটিউটে শিক্ষার মান ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করার আশ্বাস এমপি মিজানের ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দিয়ে জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চায় সরকার : প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু মৎস্য অফিসের মোবাইল কোর্ট : মহানন্দায় ৫০টি চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস হারিয়ে যাওয়া ৫০টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করলো রাজশাহী জেলা পুলিশ ডিজিটাল প্রতারণা রোধে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির সঙ্গে ‘বিকাশ’ প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে ৭ মাদকসংশ্লিষ্ট গ্রেপ্তার, গাঁজা-ইয়াবা উদ্ধার চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ সুপার কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে পুলিশ অফিস চ্যাম্পিয়ন

তানোরে আমণের বাম্পার ফলনের সম্ভবনা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৭ বার পঠিত

বিডি ঢাকা ডেস্ক

 

 

 

রাজশাহীর তানোর উপজেলা সাতটি ইউনিয়ন (ইউপি) ও দুটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত।এই উপজেলা কৃষির নির্ভর। সবচেয়ে বেশি চাষ হয় রোপা-আমণ। এবার প্রতিটি মাঠে শোভা পাচ্ছে রোপা-আমণের  শীষ।মাঠের পর মাঠ, গ্রামের পর গ্রাম এক কথায় পুরো উপজেলা জুড়ে হিমেল হওয়ায় দোল খাচ্ছে হাজারো কৃষকের স্বপ্ন। প্রতিটি শীষে যেন কৃষকের জীবনের স্বপ্ন ভবিষৎ নির্ভর করছে।বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি ভান্ডার তানোর।

ইতোমধ্যে আমণ কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে,এবারো বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে। তবে হেমন্তের শুরুতে ঝড়ো হাওয়া ও আকর্ষিক বন্যায় যেসব আমণখেতের ধান গাছ নুইয়ে পড়েছে সেগুলোর ফলন হ্রাসের সম্ভবনা রয়েছে।

উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) দরিয়া গ্রামের কৃষক শাকির বলেন, তিনি ১০ কাঠা জমিতে বিআর-৫১ জাতের ধান চাষ করেছিলেন কাটা মাড়াইয়ের পর ১১ মন হয়েছে। গাল্লা গ্রামের কৃষক আবু বকর সিদ্দিক বলেন,তিনি ১৩ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছেন তার মধ্যে ৫ বিঘা কাটা হয়েছে,আশা করছি বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২২ মণ করে  ফলন হবে। তানোর পৌর সদরের তানোর গ্রামের কৃষক মুঞ্জুর রহমান বলেন,তার জমির ধান সব নুইয়ে পড়েছে,এতে তিনি ফলন হ্রাসের আশঙ্কা করছেন। তবে খড়ের দাম আকাশচুম্বী। এবার এক কাউন খড়ের দাম ৬ হাজার টাকা।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, তানোরে চলতি মৌসুমে রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২২ হাজার ৪৩৫ হেক্টর। কিন্তু অর্জিত হয়েছে ২১ হাজার ৩৮৭ হেক্টর জমিতে। এছাড়াও এবার আলু রোপণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার হেক্টর। গত বছরের থেকে এবার তুলনামূলকভাবে আমণের বেশি ফলন হচ্ছে। তবে দাম নিয়ে একটু অখুশি রয়েছেন কৃষক।

উপজেলার স্বর্ণপদক প্রাপ্ত স্বশিক্ষিত কৃষি বিজ্ঞানী নুর মোহাম্মাদ জানান, রোপা-আমণ রোপণের শুরুর দিকে কৃষকদের প্রচুর বেগ পেতে হয়েছে। অতি বৃষ্টি ও সার নিয়ে ছিল অসহীয় সিন্ডিকেট। তবে আশার কথা রোপণের পর রোগ-বালাই অনেক কম। এবার কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠ পর্যায়ে তৎপরতা চোখে পড়ার মতো ছিলো না।তবে বরাবরের মত এবারো ফলন ভালো হবে বলে আশাবাদি তিনি।

এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ- এর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও মুঠোফোনে কল গ্রহণ না করায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2009-2022 bddhaka.com  # গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Developed BY ThemesBazar.Com