1. bddhaka2009bd@gmail.com : FARUQUE HOSSAIN : FARUQUE HOSSAIN
  2. bddhakanews24.com@gmail.com : admi2017 :
রবিবার, ২৮ মে ২০২৩, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিজিবি কর্তৃক সীমান্ত এলাকায় ০১ জন আসামীসহ ০১টি ৭.৬৫ মিঃমিঃ বিদেশী পিস্তল (আমেরিকার তৈরী), ০৭ রাউন্ড গুলি এবং ০২টি ম্যাগাজিন আটক প্রসংগে। শিবগঞ্জে শেখহাসিনার উন্নয়ন প্রচারনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আ’লীগ সদস্য জারা মাহবুব ভূমি সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে শিবগঞ্জে আলোচনা সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে উদ্ধার ১৫০টি মুনিয়া পাখি, পরে অবমুক্ত নাচোলে মৎস্য চাষিদের মধ্যে উপকরণ বিতরণ বিনা উদ্ভাবিত বিনাতিল-৩ এর ওপর মাঠ দিবস শিবগঞ্জে ভার্মি কম্পোস্ট খামার পরিদর্শন রানীহাটি ইউনিয়নে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নিয়ে প্রশিক্ষণ জিআই পণ্যের বাণিজ্যিকীকরণের চ্যালেঞ্জ উত্তরণের উপায় শীর্ষক সেমিনার উজিরপুর ইউনিয়নে উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

ওমিক্রন নতুন এ ধরন মহামারি অবসানের বার্তা?

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৪৬ বার পঠিত
এখন পর্যন্ত যতটা জানা গেছে, তাতে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরনে আক্রান্তরা মৃদু উপসর্গ বহন করছে। তাদের হাসপাতালেও ভর্তি হতে হচ্ছে না। আর এখান থেকেই আশা খুঁজে পাচ্ছেন মহামারি বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা বলছেন, যদি এটা ঠিক হয় যে ওমিক্রন বেশি বেশি মানুষকে আক্রান্ত করবে, তবে তেমন কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করবে না; তাহলে সেটা হবে আমাদের জন্য আশীর্বাদ। এর মধ্য দিয়ে আমরা হার্ড ইমিউনিটিতে পৌঁছতে পারব। করোনা পরিণত হবে সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো একটা ভাইরাসে; যার সঙ্গে আমরা বসবাস করতে অভ্যস্ত।
রোববার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওমিক্রন ভেরিয়েন্টে অভূতপূর্ব সংখ্যক স্পাইক মিউটেশন রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মহামারির গতিপথে বড় প্রভাব ফেলতে পারে, তাই এই মিউটেশন বা অভিযোজনগুলোকে উদ্বেগজনক মনে করা হচ্ছে। করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন সমগ্র বিশে^র জন্য অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির বলেই মনে করছেন তারা। তবে নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তকারী চিকিৎসাবিদ অ্যাঞ্জেলিক কোয়েৎজি ১৮ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের করোনার নতুন ধরনের বিষয়ে প্রথম সতর্ক করেন। দক্ষিণ আফ্রিকা মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান কোয়েৎজি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানান, নতুন ধরনে আক্রান্তদের কারও মধ্যে বিপজ্জনক কিছু পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ‘গত ১০ দিনে অন্তত ৩০ জন রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছি, যারা করোনা পজিটিভ ছিলেন। তাদের শরীরে সামান্য যে অপরিচিত উপসর্গ দেখেছি, সেটি হলো চরম ক্লান্তি।’
জেরুজালেমের হাদাসা মেডিকেল সেন্টারের কোভিড বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড্রোর মেভোরাশ ইসরাইলের সংবাদমাধ্যম হারেৎসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ওমিক্রন নামে নতুন ধরনটিতে আক্রান্তরা মৃদু উপসর্গে ভুগছেন। ‘এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো কিছু বলা যাচ্ছে না, তবে এই ধরনের আবির্ভাবকে যতটা বাজেভাবে দেখা হচ্ছে, এটা ততটা বাজে ব্যাপার নাও হতে পারে।’
অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল স্বাস্থ্যমন্ত্রী গ্রেগ হান্টও একই কথা বলছেন। ‘প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যের বেশিরভাগটাই বলছে, নতুন ধরনটি মৃদু উপসর্গের। তবে আরও তথ্যের জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’
এদিকে সিডনি মর্নিং হেরাল্ড বলছে, মহামারির শুরু থেকেই বেশি সংক্রামক কিন্তু শরীরের জন্য কম ক্ষতিকর; এমন একটা ভ্যারিয়েন্টের অপেক্ষায় ছিলেন বিজ্ঞানীরা। তারা এমন একটি রূপ বদল চাইছিলেন; যা অপেক্ষাকৃত অনেক কম মানুষকে হাসপাতালে যেতে বাধ্য করবে, অপেক্ষাকৃত অনেক কম প্রাণঘাতী হবে। এইচ১এন১ ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিল। বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ তাই সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ওমিক্রন নামে নতুন এই ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ-সক্ষমতা ও বিপদ নিয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলার মতো তথ্য এখনও বিজ্ঞানীদের হাতে নেই। তবে তারা আশাবাদী যে এই ভ্যারিয়েন্ট অতিসংক্রামক হলেও মানুষের শরীরে সমস্যা সৃষ্টি করার ক্ষমতা কম হবে।
মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মহামারি বিশেষজ্ঞ টনি ব্লেকলি সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে বলেছেন, ‘আমরা এখনও জানি না, তবে কিছু ক্লু পাওয়া গেছে যে, এটি কম বিপজ্জনক হতে পারে। যদিও এই মুহূর্তে এটি মানুষকে চিন্তিত করে তুলেছে, তবে এটি আমাদের জন্য ইতিবাচকও হতে পারে।’
ডেকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের মহামারি বিশেষজ্ঞ ক্যাথরিন বেনেট একইভাবে সতর্কতা অবলম্বন করে বলেছেন, ‘(ওমিক্রন নিয়ে) এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য-প্রমাণ আশাবাদের জন্ম দিচ্ছে। হতে পারে আমরা ভাইরাসটির একটি আরও সংক্রামক এবং কম বিপজ্জনক সংস্করণ দেখতে পাচ্ছি, যা আমাদেরকে ভাইরাসের সঙ্গে জীবনযাপনের একটি সহজ পথের দিকে এগিয়ে নেবে। আমরা এমন সংকেত পেয়েছি যে এটি তেমনি একটি ভাইরাস হতে পারে। আবার এমন সঙ্কেতও পেয়েছি যা উদ্বেগের জন্ম দিতে পারে।’
এদিকে সাইপ্রাস ন্যাশনাল বায়োএথিকস কমিটির চেয়ারম্যান ড. মাইকেল ভনিয়াতিস সাইপ্রাস নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ওমিক্রন ধরনে আক্রান্তরা যদি কেবল মৃদু উপসর্গই বহন করে, তাহলে এর মধ্য দিয়েই হার্ড ইমিনউনিটি অর্জিত হবে এবং মহামারির অবসান হবে। তিনি মনে করছেন, অনেকবার রূপ বদলের কারণে যদিও ওমিক্রনকে ‘সুপার ভ্যারিয়েন্ট’ বিবেচনা করা হচ্ছে, তার মানে এই নয় যে এটি আলফা ধরনের চেয়ে বেশি বিপজ্জনক হবে। তবে এটি নিশ্চিত যে, এটি অনেক বেশি সংক্রামক ও বিশে^র সব দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর বাইরে যতটুকু জানা গেছে, ধরনটি মৃদু উপসর্গ বহনকারী। ‘দক্ষিণ আফ্রিকার ডাক্তাররা যেমনটা বলছেন যে এটি মৃদু উপসর্গ বহনকারী, তা সত্যি হলে নতুন ধরনটি আমাদের শরীরকে করোনা প্রতিরোধী করে তুলবে। আর এর মধ্যে দিয়ে মহামারির অবসান হতে পারে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2009-2022 bddhaka.com  # গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Developed BY RushdaSoft