মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাসিক মেয়রের সাথে পটিয়া পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ কুষ্টিয়ায় শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষ : আহত ১০ বরিশালে পুলিশ-শিক্ষার্থী দফায় দফায় সংঘর্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারো শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ছাড়ছেন শিক্ষার্থীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ, রাজশাহীতে যুবদল নেতাসহ আটক ৫ কোটা সংস্কার : সড়ক অবরোধ দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের চাঁপাইনবাবগঞ্জের ইসলামপুরে রাস্তা প্রসস্তকরণ ও উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন নাচোলে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

তানোরে ভুমিগ্রাসী চক্রের দৌরাত্ন্য উত্তেজনা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৪ জুন, ২০২১
  • ২৪৬ বার পঠিত

তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোর পৌরসভার এক ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নেপথ্যে মদদে একটি সংঘবদ্ধ ভুমিগ্রাসী চক্র প্রতিবেশীর দখলীয় সম্পত্তি জবর দখল করেছে। এ ঘটনায় ২০২০ সালের ২৩ ডিসেম্বর সৈয়দ আহসান বাদি হয়ে কাউন্সিলর তাছির উদ্দিন, এরাজ উদ্দিন, মালেক ও নাসির গংকে বিবাদী করে তানোর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। কিন্ত্ত দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও রহস্যজনক কারণে এখানো অভিযোগের বিষয়ে তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। ফলে সংঘবদ্ধ চক্র আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের সুমাসপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানান, পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাছির উদ্দিন ঘটক পরিবার প্রতি ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা করে নিয়ে একটি ভুমিগ্রাসী সংঘবদ্ধ চক্রকে লেলিয়ে দিয়ে ওই সম্পত্তি জবরদখল করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংবদ্ধ চক্রের সদস্যরা বেড়া-বাশের খুঁটি পুতে সম্পত্তি জবরদখল করেছে এবং নারীরা দা-হাসুয়া নিয়ে পাহারা দিচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও বিস্ফোরণমুখ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বা খুন-জখমেের মতো ঘটনা ঘটতে পারে সেই আশঙ্কায় এলাকাবাসী সঙ্কিত। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, তানোর পৌরসভার সুমাসপুর মৌজায়, আরএস খতিয়ান নম্বর ৪৮,আরএস দাগ নম্বর ১৮,১৯,২০ ও ২০৭ জমির পরিমান ৫ দশমিক ২৫ একর।বিগত ১৯৬৪ সালে এসব সম্পত্তির বিনিময় করা হয় যাহার বিনিময় দলিল নম্বর ৫১৮ এবং ২০০১ সালে ক্রয় সুত্রে এসব সম্পত্তির মালিক হয় সৈয়দ আহসান আলী এবং পরবর্তীতে তার সঙ্গে বিনিময় সুত্রে সম্পত্তির মালিসক হয়েছেন আফাজ উদ্দিন ও শামসুদ্দিন।এদিকে কারো কোনো আপত্তি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে তারা শান্তিপুর্ণভাবে এসব সম্পত্তি ভোগদখল করে আসছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাউন্সিলর তাছির উদ্দিন এসব সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ভুমিগ্রাসীদের লেলিয়ে দিয়ে রাতারাতি সেখানে বাঁশ-কাঠের খুঁটি পুঁতে এসব সম্পত্তি দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বয়োজৈষ্ঠ জানান, জমি কার সেটা জানি না, তবে খাস জমি দেবার কথা বলে এসব জমিতে ঘর করতে বলেছে তাই তারা বাঁশের বেড়া-টাটি দিয়ে ঘর নির্মাণ শুরু করেছেন। সচেতন মহলের ভাষ্য, প্রায় ২০ বছর শান্তিপুর্ণভাবে ভোগদখলীয় সম্পত্তি সরকারি খাস সম্পত্তি হয় কি ভাবে, এছাড়াও খাস সম্পত্তি নিতে চাইলেও তো কিছু নিয়মনীতি রয়েছে, রাতারাতি দখলের সুযোগ কোনো সুযোগ নাই। এবিষয়ে জানতে চাইলে কাউন্সিলর তাছির উদ্দিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব খাস সম্পত্তি তাই এলাকার কিছু ভুমিহীন পরিবার সেখানে বাড়ি নির্মাণ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2009-2022 bddhaka.com  # গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Developed BY ThemesBazar.Com