1. bddhaka2009bd@gmail.com : FARUQUE HOSSAIN : FARUQUE HOSSAIN
  2. bddhakanews24.com@gmail.com : admi2017 :
মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১২:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৫টি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র পেলো সরকারি আর্থিক প্রনোদনা পত্নীতলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন বৌদ্ধ পরিবারকে রাসিক মেয়র’র শুভেচ্ছা উপহার প্রদান শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে বিশাল জনসমাবেশ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ খায়রুল আলমের মৃত্যুতে রাসিক মেয়রের শোক প্রকাশ রাসিক মেয়র’র সাথে রাবি ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ গোমস্তাপুরে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে এক আদিবাসী সহ ২ জনের মৃত্যু বিজিবি কর্তৃক সোনামসজিদ সীমান্তে হেরোইন এবং বিদেশী মদ আটক প্রসংগে। বিজিবি কর্তৃক শিয়ালমারা সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল আটক প্রসংগে।

পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হবে ১ বছরের মধ্যেই : সেতুমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪৫০ বার পঠিত

নিজস্ব সংবাদদাতা :  আগামী ১০ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টায় সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক ইস্যুতে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

পদ্মা সেতুর বাকি কাজ শেষ হতে কতো সময় লাগতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘১০ মাস থেকে ১ বছর লাগবে। লাস্ট স্প্যান ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে বসবে বলে আমরা আশাবাদী। সেতুতে ঢালাইয়ের কাজ, সড়কের জন্য প্রস্তুত করা, রেলের জন্য প্রস্তুত করার কাজ বাকি আছে। এটা ডাবল ডেকার সেতু। ইটস অ্যা ইউনিক ব্রিজ ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড। এখানে রেলও চলবে, সড়কের যানবাহনও চলবে। কাজেই ওটাকে সেভাবেই তো তৈরি করতে হবে। ইট উইল টেক টাইম।’

১০ থেকে ১ বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার পর কবে চালু হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এরপর তো চালুই হয়ে যাবে। ১০ তারিখ যখন সব স্প্যান বসে যাবে তখন যে কাজ থাকবে তখন সেটা আমি ইঞ্জিনিয়ার, কনসালটেন্টদের সাথে আলাপ করে দেখেছি সেতু বিভাগে। তারা বলেছেন ১০ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যেই বাকি কাজ শেষ হবে। এরপরই উন্মুক্ত হয়ে যাবে।’

আগামী বিজয় দিবসে এটি উদ্বোধন করা হবে কিনা জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কোনো দিবসে আমরা উদ্বোধন করব না। প্রাইম মিনিস্টার এটার বিরুদ্ধে। কোনো বিশেষ দিবসে এটা উদ্বোধন করা, এ জাতীয় প্রস্তাব তিনি কখনও গ্রহণ করেন না। বিশেষ দিবস তো বিশেষ দিবসই। এটা অন্য যেকোনো দিন হতে পারে। বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসে তো হওয়ার দরকার নেই।’

রাজধানীর দোলাইপাড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ কাজ চলবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, নির্মাণাধীন ভাস্কর্য নির্মাণের কাজ চলবে। আমরা ভাস্কর্য নির্মাণ করব। তারা যে প্রস্তাব দিয়েছে এটা তাদের বিষয়। ভাস্কর্য বিভিন্ন দেশে হয়েছে, সেখানে কেউ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেনি। হয়তো বৈধ একটি সংস্থা থেকে অনুমতি নিতে হয় সেটা এক বিষয়। আর আনুষ্ঠানিকভাবে ভাস্কর্য আমরা উদ্বোধন করিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এ ধরনের ঘটনা যারা ঘটাবে তাদের তো অবশ্যই সংবিধান এবং রাষ্ট্রদোহের সামিল। কারণ বঙ্গবন্ধু তো আমাদের জাতির পিতা। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের ওপর হামলা। দেশে দেশে যেখানে সৌদি আরব, কাতার, মিশর, ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তানেও আছে। ভাস্কর্য মুসলামন দেশগুলোতেও আছে। তাদের চেয়েও কি আমরা বড় মুসলমান। তারা তো সেখানে ভাস্কর্য নিয়ে কথা বলে না। আর মূর্তি হলো দেবতার পূজা একটা, আর এখানে ভাস্কর্য তো মানুষের ভাস্কর্য। দেবতাকে তো পূজা করা হয়, কিন্তু এখানে তো মানুষকে পূজা করা হচ্ছে না। কাজেই এটাকে তারা কেন এভাবে নিচ্ছে। কুষ্টিয়ায় তারা যেটি করেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও মধুদার ভাস্কর্যের ওপর হামলা চালিয়েছে। এটা যারাই করবে এবং যারা এর ধৃষ্টতা দেখাবে তাদের চরম মূল্য দিতে হবে।

আওয়ামী লীগ ও সহযোাগী সংগঠন থাকতে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন মামলা করতে হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কে মামলা করলো সেটা বিষয় না। এটা নন পলিটিক্যালরা করাই ভালো, বঙ্গবন্ধু তো শুধু কোনো দলের না।

এখানে কাউকে হুকুমের আসামি করা হবে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপযুক্ত প্রমাণ না পেলে কাউকে ভিক্টিমাইজ করা উচিত না। কেউ হুকুম দিয়েছে এমন কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ পেলে আমরা ব্যবস্থা নেব। আমরা সরকারে আছি, ক্ষমতায় আছি। আমাদের ঠান্ডা মাথায় এগুতে হবে। কথায় কথায় মাথাগরম করলে চলবে না। বুঝেশুনে আমাদের পরিস্থিতিটা ট্র্যাকল করতে হবে। কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে এখানে আবার আমাদের দেশে ধর্ম আবার গুরুত্বপূর্ণ ও সেনসেটিভ ইস্যু। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং বিষয়গুলো দেখছেন ও সেভাবে ট্র্যাকল করছেন। অহেতুক দেশে অশান্তি-বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চাই না। আমরা যুক্তি দিয়ে বলতে চাই। প্রধানমন্ত্রী তাদের সাক্ষাৎ দেবেন কিনা সেটি আমি জানি না। আলোচনার সুযোগ আছে কিনা সেটাও প্রধানমন্ত্রী দেখছেন। সব বিষয়েই সরকার প্রধান যদি মনে করেন তাহলে হতে পারে। তিনি যা সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, শাপলা চত্বরে হেফাজতের ব্যানারে একটা আন্দোলন হয়েছিল। সেটা তো দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। মুসলিম দেশগুলোতে মাঝে মাঝে এ ধরনের ধর্মীয় ইস্যু চলে আসে, এর পেছনে রাজনৈতিক কারণও আছে। আমরা এগুলো অবজারভ করছি। এখন তো বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন সংগঠন প্রতিবাদ করছে। কিছু কিছু বিষয় আমাদের রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা উচিত।

হেফাজতের সঙ্গে সরকারের সম্পর্কের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাদের কওমি মাদরাসার ১৪ লাখ স্টুডেন্ট আছে। তারা মেইনস্ট্রিম থেকে দূরে আছে। তাদের আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার মেইনস্ট্রিমে আনার জন্য দাবিটাকে ন্যায়সম্মত মনে হয়েছে। সে জন্য তাদের দাবি মেনে নেয়া হয়েছে। তার মানে এই নয় তাদের সাথে সমঝোতা করেছি। হেফাজত কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়, যে তাদের সাথে রাজনৈতিক সমঝোতা করব।

এর পেছনে বিএনপি-জামায়াতের উসকানি আছে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের উসকানি আছে কিনা সেটি আমরা খতিয়ে দেখছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2009-2022 bddhaka.com
Theme Developed BY RushdaSoft