বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আজহারীর মাহফিল শেষে থানায় জিডির হিড়িক হেক্টরে হেক্টরে গাছের চারা রোপণের নামে লুটপাট! ছিনতাই রোধে মাঠে নেমেছে পুলিশের ৩ বিশেষায়িত ইউনিট: আইজিপি চারঘাটে ফেনসিডিল-সহ দুই মাদক কারবারী গ্রেফতার তানোরের নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সৌজন্যে সাক্ষাৎ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে পাঁচদিন বন্ধের পর বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু দাম না বাড়িয়ে, গ্যাস চুরির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া বনে আগুন, এক একর বন পুড়ে ছাই চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন ও পুরস্কার বিতরণ নাচোলে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস পালিত

হেক্টরে হেক্টরে গাছের চারা রোপণের নামে লুটপাট!

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৪ বার পঠিত

বিডি ঢাকা ডেস্ক

 

 

 

২০২২-২৩ অর্থবছরে কক্সবাজারের রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা বিট এলাকায় ৫১০ হেক্টর বনভূমিতে নতুন বাগান তৈরির জন্য বরাদ্দ হলেও বাস্তবে মাত্র ১৬০ হেক্টরে বনায়ন হয়েছে। একইভাবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ৩৬২ হেক্টর বনায়ন প্রকল্পেও একই ধরনের অনিয়ম হয়েছে।

এসব এলাকায় চারা রোপণের নামে বরাদ্দকৃত বড় অংশের টাকা আত্মসাৎ হয়েছে। অনেক জায়গায় সাইনবোর্ড পাওয়া গেলেও গাছের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। অনেক স্থানে পরিচর্যার অভাবে রোপিত চারাগুলোর বেশিরভাগই মারা গেছে।

শত কোটি টাকার বন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নে পদে পদে এমন দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত সোমবার দুদকের চট্টগ্রাম কার্যালয় থেকে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই অভিযানের এনফোর্সমেন্ট টিমের দাখিলকৃত অনুসন্ধান প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে।

এ বিষয়ে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলাম বলেন, বন বিভাগের নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগে একযোগে পরিচালিত দুটি অভিযানসহ দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রামে পৃথক অভিযান চালানো হয়েছিল। আজ টিম কমিশনে প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

দুদক জানায়, বন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ, বদলি ও পদোন্নতিসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে এনফোর্সমেন্ট ইউনিট ২৪ ফেব্রুয়ারি বন ভবনে অভিযান পরিচালনা করে। দুদকের এই অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী পরিচালক মো. ইসমাঈলের নেতৃত্বাধীন এনফোর্সমেন্ট টিম। অভিযানের সময় প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরী, উপপ্রধান বন সংরক্ষক এবং টেকসই বন ও জীবিক (সুফল) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়।

অভিযান শেষে আজ (২৬ ফেব্রুয়ারি) প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরীর অধীনে প্রশাসনিক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার অভাব রয়েছে। বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার অভাবে গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যয়িত অর্থের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের বিষয়ে তিনি কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

এছাড়া তার তত্ত্বাবধানে বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসে। নির্ধারিত নীতিমালা উপেক্ষা করে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলি ও নিয়োগের তথ্য পাওয়া গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2009-2022 bddhaka.com  # গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Developed BY ThemesBazar.Com