1. bddhaka2009bd@gmail.com : FARUQUE HOSSAIN : FARUQUE HOSSAIN
  2. bddhakanews24.com@gmail.com : admi2017 :
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা যুব কর্মসংস্থান করেছি, বিএনপি করেছে হত্যা: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন কঠিন সময় পার করছে দেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩ দোকান মালিক পেলেন প্রধানমন্ত্রীর অনুদান চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ভোলাহাটে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান দিবস পালিত নাচোলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত। শিবগঞ্জে মাসিক কেস কনফারেন্স সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জের ত্রিমোহনী সেতুর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ‘রানীগঞ্জ সেতু’ উদ্বোধন ঢাকা-সুনামগঞ্জের দূরত্ব কমল ৫৫ কিলোমিটার নাচোলে বিএমডিএ’র অপারেটাকে উৎকোচ না দেয়ায় এক উদ্যোক্তার ২২বিঘার আম বাগান নষ্ঠ পথে

আগামী বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) থেকে কোভিড-১৯ এর টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রদান করা হবে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ১২৯ বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) থেকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ প্রদান করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ সকালে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বিকেলে সচিবালয়ে বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
তিনি বলেন, ‘এটা প্রধানমন্ত্রী ক্লিয়ার করেছেন, ৮ তারিখ থেকে যে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ শুরু হওয়ার কথা সেটা যথাযথভাবে চলবে। প্রথম ডোজ কাল (৬ এপ্রিল) শেষ হয়ে যাবে।’ ভ্যাকসিনের মজুত কম থাকার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এখন পর্যন্ত অসুবিধা হবে না। আমি কথা বলেছি, স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় ডোজ দিতে তেমন কোনো সমস্যা হবে না। টিকা যা আছে, তা দিতে দিতেই আরও টিকা চলে আসবে।’
মন্ত্রিসভায় রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘রোজার সময় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, বাণিজ্যমন্ত্রী মহোদয় মিটিংয়ে ছিলেন। উনাদের প্রস্তুতি আছে, সবকিছু আছে।’
তিনি বলেন, ‘তেলের দাম ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে বেশি বলে তারা একটা প্রস্তাব দিয়েছেন। ট্যাক্সের ক্ষেত্রে রিবেট (ছাড়) দিলে তারা কম দামে বাজারে তেল দিতে পারবেন। রাজস্ব বোর্ড বলেছে, এই বিষয়ে তারা চিন্তা করবে। মন্ত্রিসভা বলেছে, যে পরিমাণ রিবেট দেয়া হবে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করবে খুচরা মূল্যে সেই পরিমাণ প্রভাব যাতে পড়ে।’ অন্যান্য নিত্যপণ্যের মজুতও পর্যাপ্ত আছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
সভায় খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ১০ হাজার টাকা হারে বছরে দুটি উৎসব ভাতা এবং একই সঙ্গে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে বাংলা নববর্ষ ভাতা হিসেবে দুই হাজার টাকা করে দেয়ারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
খেতাবপ্রাপ্ত, যুদ্ধাহত ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে জীবিতদের মহান বিজয় দিবসের ভাতা হিসেবে পাঁচ হাজার টাকা দেয়া হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এজন্য খেতাবপ্রাপ্ত, যুদ্ধাহত ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে উৎসব ভাতা প্রদানের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। তিনি বলেন, ‘এ সিদ্ধান্তের ফলে সব শ্রেণির বীর মুক্তিযোদ্ধা উৎসব, নববর্ষ ও বিজয় দিবস ভাতার আওতায় আসবেন।’
সচিব বলেন, ‘বর্তমানে ৫ হাজার ২২২ জন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে পঙ্গুত্বের মাত্রাভেদে চারটি (এ, বি, সি ও ডি) শ্রেণিতে মাসিক ৪৫ হাজার টাকা থেকে সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা, ৯৫২ জন মৃত-যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে মাসিক ২৫ হাজার টাকা, পাঁচ হাজার ৮১৬ জন শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যদের মাসিক ৩০ হাজার টাকা হারে সম্মানি ভাতা এবং বছরে ১০ হাজার টাকা হারে দুটি উৎসব ভাতা দেয়া হচ্ছে।’
কিন্তু যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা বাংলা নববর্ষ ভাতা এবং জীবিত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারা মহান বিজয় দিবস ভাতা পাচ্ছেন না বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘সাত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারকে মাসিক ৩৫ হাজার টাকা হারে, ৬৮ বীর উত্তম পরিবারকে মাসিক ২৫ হাজার টাকা হারে, ১৭৫ বীর বিক্রম পরিবারকে মাসিক ২০ হাজার টাকা হারে এবং ৪২৬ বীর প্রতীক পরিবারকে মাসিক ১৫ হাজার টাকা হারে সম্মানি ভাতা দেয়া হচ্ছে।’
বর্তমানে সাধারণ বীর মুক্তিযোদ্ধারা মাসিক ১২ হাজার টাকা হারে সম্মানি ভাতার পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা হারে দু’টি উৎসব ভাতা, বাংলা নববর্ষ ভাতা হিসেবে দুই হাজার টাকা এবং জীবিত মুক্তিযোদ্ধারা মহান বিজয় দিবস ভাতা হিসেবে ৫ হাজার টাকা পেয়ে আসছেন। এছাড়া, আইন অমান্য করার সর্বোচ্চ শাস্তি হিসাবে এক বছরের জেল বা ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে এদিন ‘চট্টগ্রাম বন্দর কতৃর্পক্ষ আইন-২০২১’ এর খসড়ার চুড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘যদি কেউ আইন লঙ্ঘন করে, তবে, তার অপরাধের গুরুত্বের উপর নির্ভর করে ওই ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ এক মাস থেকে এক বছরের কারাদ- বা ১ লাখ টাকা থেকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা দন্ড দেওয়া হবে।’ এছাড়া, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন আইন-২০২১ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। সূত্র:বাসস

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2009-2022 bddhaka.com  # গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Developed BY RushdaSoft