বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিবগঞ্জে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় এমপি কেরামত আলীর নাচোলে ঈদগাহ ও গোরস্থানের উন্নতি কল্পে আলোচনা সভা বালুবাগানে র‌্যাবের অভিযানে অর্ধকোটি ভারতীয় জাল রুপিসহ দুজন গ্রেপ্তার নাচোল পৌরসভার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মিজানুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জের পরিবহন মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে জেলা পুলিশের আলোচনা সভা বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালন সত্রাজিতপুর উচ্চ বিদ্যালয় : মাদককে লালকার্ড দেখালেন শিক্ষক শিক্ষার্থীরা কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় বাড়লো ৪২৩ কোটি, আগস্টেই খুলছে সার্ভিস লেন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি, সোমবার থেকে শুরু কার্যক্রম চারঘাটে হেরোইন ও বিপুল পরিমান ইয়াবা সহ মাদক কারবারী গ্রেফতার

প্রতিদিনই ভর্তি থাকছে ৭০০ রোগী জনবল সংকটে বিপাকে কর্তৃপক্ষ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৯ বার পঠিত

বিডি ঢাকা ডেস্ক

 

 

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ রোগী ভর্তি থাকছে। এর মধ্যে সন্দেহভাজন হাম, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ অন্যান্য নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে রোগীরা ভর্তি হচ্ছে। হাসপাতালটির পুরাতন ভবনের প্রধান ফটকের সামনের মেঝেতেও ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে মায়েদের বসে থাকতে দেখা গেছে। পুরাতন ভবনের বারান্দা দিয়ে হেঁটে যাওয়াই কষ্ট। সবখানেই রোগী ও তাদের স্বজনরা বসে বা শুয়ে আছেন।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতাল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
হাসপাতালের তৃতীয় তলায় হাম আইসোলেশন কক্ষে দেখা যায়, রোগীদের ভিড় কিছুটা কমেছে। কারণ হিসেবে জানা গেল, তুলনামূলক অবস্থা ভালো শিশু রোগীদের নিচতলায় নতুন হাম আইসোলেশন কক্ষে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে ৮০ থেকে ৯০ ভাগ সুস্থ হয়ে ওঠা শিশুদের ছাড়পত্র দেয়া হচ্ছে।
সেখানে গিয়ে দেখা যায়, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহফুজ রায়হান হ্যান্ডমাইকে রোগীর স্বজনদের হাম বিষয়ে সচেতন করছেন। ছাড়পত্র পাবার পর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পুষ্টিকর খাবার এবং স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখার জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন। তিনি বলেন— হাম থেকে সুস্থ হয়ে গেলেও শরীরের ভেতরে যে ক্ষতি হয় তা পুষিয়ে নিতে হবে। এজন্য শিশুদের ফলমূলসহ পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে। বাড়িতে নিয়ে যাবার পর যদি কোনো কারণে শিশুর অবস্থা খারাপ হয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে।
অন্যদিকে তৃতীয় তলায় মায়েদের অসুস্থ শিশুদের বুকে নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ডাক্তার এলে শিশুদের চিকিৎসা করাবেন বলে তারা লাইনে দাঁড়িয়েছেন। তবে কক্ষটি আগের মতো ভ্যাপসা নেই। কারণ অনেক রোগী নিচতলায় চলে গেছে।
সদর উপজেলার ইসলামপুর থেকে আসা এক মা জানান, তার ৮ মাস বয়সী সন্তান নিশানকে বুধবার রাতে হাম সন্দেহভাজন হিসেবে ভর্তি করা হয়েছে।
নরেন্দ্রপুরের আরেক মা জানান, ২ বছর ৫ মাস বয়সী মেয়ে তাহমিনাকে কয়েকদিন আগে ভর্তি করেছেন।
হাসপাতালের পুরাতন ভবনে ঢুকতেই দেখা গেল, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশু আব্দুল্লাহকে নিয়ে মেঝেতে বসে আছেন উপররাজারামপুরের এক মা। কথা হলো চকআলমপুরের এক মায়ের সঙ্গেও। তিনি জানান, এক বছরের শিশু রায়ান জ্বরে আক্রান্ত হলে তাকে গত রবিবার ভর্তি করেন। ওষুধপত্র ঠিকমতো পাচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, কিছু পাচ্ছেন আবার কিছু কিনতেও হচ্ছে।
জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান জানান, সন্দেহভাজন শিশু হাম রোগী ভর্তি আছে ৭৩ জন, শ্বাসকষ্টজনিত ১৭ জন এবং ডায়রিয়া রোগী ৮৩ জন। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের জ্বরসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে আরো অনেক রোগী ভর্তি আছে। সবমিলিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ রোগী ভর্তি থাকছে। ২৫০ শয্যার হাসপাতালে এত রোগীকে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাছাড়া ৯ জন সিনিয়র কনসালটেন্ট ও ৪ জন জুনিয়র কনসালটেন্টের পদ শূন্য রয়েছে। ফলে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে চক্ষু ও ফিজিক্যাল বিভাগে কনসালটেন্ট প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরো বলেন— জনবল সংকটের পরও হাম সন্দেহভাজন শিশুদের কথা ভেবে নতুন আরেকটি কক্ষকে হাম আইসোলেশন কক্ষ হিসেবে চালু করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2009-2022 bddhaka.com  # গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Developed BY ThemesBazar.Com