শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রীর পাশে দাঁড়ালেন গোমস্তাপুরের ইউএনও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে খাবার মেলা নার্সিং ইনস্টিটিউটে শিক্ষার মান ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করার আশ্বাস এমপি মিজানের ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দিয়ে জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চায় সরকার : প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু মৎস্য অফিসের মোবাইল কোর্ট : মহানন্দায় ৫০টি চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস হারিয়ে যাওয়া ৫০টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করলো রাজশাহী জেলা পুলিশ ডিজিটাল প্রতারণা রোধে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির সঙ্গে ‘বিকাশ’ প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে ৭ মাদকসংশ্লিষ্ট গ্রেপ্তার, গাঁজা-ইয়াবা উদ্ধার চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ সুপার কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে পুলিশ অফিস চ্যাম্পিয়ন

এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া ‘এখনো ঝুঁকিমুক্ত’ নন: মির্জা ফখরুল

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৪ জুন, ২০২১
  • ৫৩৯ বার পঠিত
এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া ‘এখনো ঝুঁকিমুক্ত’ নন: মির্জা ফখরুল
ফাইল ফটো

নিউজ ডেস্ক : রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে করোনারী কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে বিশেষ কেবিনে স্থানান্তরিত হলেও তিনি ‘ এখনো ঝুঁকিমুক্ত’ নন বলে জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ম্যাডামকে গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেলে একটা বিশেষ কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে এখনো একেবারেই উনি যে সুস্থ হয়ে গেছেন তা নয় কিন্তু। অত্যন্ত বলা যেতে পারে যে, এখনো একটা হেজারড অবস্থার মধ্যে আছেন, ভালনারেবল অবস্থার মধ্যে আছেন। ‘তার(খালেদা জিয়া) হার্ট, কিডনি, লাংস -এই তিনটা কিন্তু ঝুঁকির মধ্যে আছেন।যদিও তার ফুসফুসে সংক্রামন নেই বা সেই ধরনের কোনো ইনফেকশনও নেই। কিন্তু হার্ট তার এখনো সমস্যা আছে, কিডনিতেও সমস্যা আছে। ক্রিটিনিন এখনো হাই। বিশেষ কেবিনে কেনো স্থানান্তর করা হয়েছে তার কারণ ব্যাখ্যা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ ম্যাডাম সিসিইউতে(করোনারী কেয়ার ইউনিট) ছিলেন, সেই সিসিইউতে তার কোবিড পরবর্তি কতগুলো রিঅ্যাকশন হয়েছিলো এবং আরেকটি রি-অ্যাকশন যেটা বিপদজনক ছিলো যে তার রক্তে কিছুটা ইনফেকশন হয়েছিলো। যেটাকে সিস্টোফেনিয়া বলে। আল্লাহ রহমতে ডাক্তারদের অত্যন্ত বিচক্ষনতার সঙ্গে তাদের আন্তরিকতার কারণে সেই ইনফেকশনটাকে তারা দূর করতে সক্ষম হয়েছেন। যেহেতু ওইখানে সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি, আবারো হতে পারে সেই কারণে উনারা তাকে বিশেষ কেবিনে স্থানান্তর করেছেন। যেখানে সিসিইউর সকল সুবিধাদি রয়েছে।

গত ২৭ এপ্রিল পোস্ট কোবিড জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যে মেডিকেল বোর্ডের সার্কি তত্ত্বাবধায়নে তার চিকিৎসা চলছে।

সিসিইউতে থাকা অবস্থায় গত ২৮ মে খালেদা জিয়া ‘হঠাত’ জ্বরে আক্রান্ত হন। ৩০ মে তার জ্বর নিয়ন্ত্রণে আসে। গত ১৪ এপ্রিল গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা‘য় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। করোনামুক্ত হন ৯ মে। শুক্রবার সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব এই কথা জানান। সংবাদ সম্মেলন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অ্যাডভোকেট সৈয়দ মো. শামসুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন নসু, চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2009-2022 bddhaka.com  # গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Developed BY ThemesBazar.Com