শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রীর পাশে দাঁড়ালেন গোমস্তাপুরের ইউএনও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে খাবার মেলা নার্সিং ইনস্টিটিউটে শিক্ষার মান ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করার আশ্বাস এমপি মিজানের ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দিয়ে জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চায় সরকার : প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু মৎস্য অফিসের মোবাইল কোর্ট : মহানন্দায় ৫০টি চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস হারিয়ে যাওয়া ৫০টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করলো রাজশাহী জেলা পুলিশ ডিজিটাল প্রতারণা রোধে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির সঙ্গে ‘বিকাশ’ প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে ৭ মাদকসংশ্লিষ্ট গ্রেপ্তার, গাঁজা-ইয়াবা উদ্ধার চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ সুপার কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে পুলিশ অফিস চ্যাম্পিয়ন

কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলা চেনার সহজ উপায়!

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৭১ বার পঠিত

বিডি ঢাকা ডেস্ক

 

 

 

কলা আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার একটি পরিচিত ও পুষ্টিকর ফল। রমজানে সেহরিতে এর চাহিদা সব চেয়ে বেশি।

পটাশিয়াম, ফাইবার, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন এ এবং আয়রন সমৃদ্ধ এই ফল শরীরকে শক্তিশালী রাখে, হজমশক্তি বাড়ায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে। কিন্তু সম্প্রতি বাজারে সহজলভ্য হলেও অনেক কলা স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দ্রুত বাজারজাত করার জন্য অনেক ব্যবসায়ী কলা পাকাতে ব্যবহার করছেন বিপজ্জনক কেমিক্যাল, যা স্বাভাবিক পাকা কলার সঙ্গে মিলবে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারের বেশিরভাগ কলা ক্যালসিয়াম কার্বাইড, তরল ইথাইলিন, ইথারজাতীয় রাসায়নিক বা অনুরূপ কেমিক্যাল দিয়ে দ্রুত পাকানো হয়। এসব কেমিক্যাল কেবল কলাকে দ্রুত পাকায় না, বরং কলার ভেতরের অংশ অনেক সময় কাঁচা থাকে। ফলস্বরূপ হজমের সমস্যা, মাথা ঘোরা, বমিভাব এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য জটিলতার ঝুঁকি তৈরি হয়। প্রাকৃতিকভাবে ধীরে পাকলে কলার ভেতরের এনজাইমগুলো সক্রিয় হয়, পুষ্টি পুরোপুরি বিকশিত হয় এবং স্বাদ ও গন্ধ হয় নিখুঁত।

কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলা চিনবেন যেভাবে:

১. রং দেখে পার্থক্য করুন:
প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলা হালকা হলুদ রঙের হয়, গায়ে থাকে ছোট ছোট কালো দাগ। এটি প্রমাণ করে যে কলা ধীরে ধীরে পেকেছে।
কিন্তু কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলা খুব উজ্জ্বল হলুদ বা একরঙা কমলা-হলুদ, যা স্বাভাবিক কলার রঙের সঙ্গে মেলে না।
২. গন্ধই আসল ইঙ্গিত:
প্রাকৃতিক কলার গন্ধ মিষ্টি ও তাজা।
কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলায় সাধারণত গন্ধ থাকে না বা থাকে অস্বাভাবিক তীব্র, কৃত্রিম ধরনের, যা খাওয়ার আগেই সন্দেহ জাগায়।
৩. পানিতে ভাসানোর পরীক্ষা:
কলাকে পানি ভর্তি পাত্রে ফেলুন। কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলা প্রায়শই ভেসে থাকে, কারণ ভেতরে কৃত্রিমভাবে পাকানোর সময় বাতাসের ফাঁক তৈরি হয়।
প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলা তুলনামূলকভাবে ঘন এবং সাধারণত পানিতে ডুবে যায়।

প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলা শুধু সুস্বাদু নয়, বরং স্বাস্থ্যকরও। তাই বাজারে কলা কেনার সময় বাহ্যিক চকচিক্য দেখে নয়, রং, গন্ধ ও গঠনের ওপর মনোযোগ দিন। এই সচেতনতা আপনাকে কেমিক্যালযুক্ত কলার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2009-2022 bddhaka.com  # গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Developed BY ThemesBazar.Com