শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩ জন গ্রেপ্তার, সিএনজি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রীর পাশে দাঁড়ালেন গোমস্তাপুরের ইউএনও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে খাবার মেলা নার্সিং ইনস্টিটিউটে শিক্ষার মান ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করার আশ্বাস এমপি মিজানের ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দিয়ে জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চায় সরকার : প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু মৎস্য অফিসের মোবাইল কোর্ট : মহানন্দায় ৫০টি চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস হারিয়ে যাওয়া ৫০টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করলো রাজশাহী জেলা পুলিশ ডিজিটাল প্রতারণা রোধে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির সঙ্গে ‘বিকাশ’ প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে ৭ মাদকসংশ্লিষ্ট গ্রেপ্তার, গাঁজা-ইয়াবা উদ্ধার

বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত ৯৫, কনের বাবার মৃত্যু,পরিবারের প্রত্যেকে এখন করোনা পজিটিভ

সত্যনারায়ন শিকদার,পশ্চিমবঙ্গ সংবাদদাতা
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৪ মে, ২০২১
  • ৪৩১ বার পঠিত

সত্যনারায়ন শিকদার,পশ্চিমবঙ্গ সংবাদদাতা : করোনাভাইরাস সংক্রমণে পুরো ভারতের অবস্থা শোচনীয়। সে কারণে বিয়ের অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে কড়া বিধিনিষেধ জারি করেছে রাজস্থান সরকার। কিন্তু এই সতর্কতা জারির আগেই গত ২৫ এপ্রিল রাজ্যটির একটি গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান ছিলো। তার পরেই এক দিনে গ্রামে করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন ৯৫ জন। মৃত্যু হয়েছে এক কনের বাবার।

উৎসবের মাশুল গুনতে গিয়ে শিয়ালোকালা নামের গ্রামটি এখন শোকে স্তব্ধ। পুরো গ্রামজুড়ে যেন পিনপতন নীরবতা। প্রতিটি বাড়ির দরজা বন্ধ। জানালা দিয়ে হঠাৎ দু-একটি মুখ উঁকি দিলেও সরে যাচ্ছে দ্রুত।

স্থানীয় বাসিন্দা সুরেন্দ্র শেখাওয়াত বলেছেন, ‘গ্রামের ৯৫ জন করোনা আক্রান্ত। ২৫ এপ্রিল এখানে বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। মানুষ তখন যেন ভুলেই গিয়েছিল করোনার কথা। নমুনা পরীক্ষার পরেও সবাই ঘুরে বেড়িয়েছে। এখন সবার টনক নড়েছে। ঘরে ঢুকে বসে আছে পুরো গ্রাম।’

এপ্রিলের শেষে সেই বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হয় পাত্রীর বাবা পাপ্পু সিংয়ের শরীরে।

পুনম নামে এক নারী জানান, শিয়ালোকালা গ্রামের নাম শুনতেই এখন অন্য গ্রামের লোকজন ভয় পাচ্ছে। দুধ, সবজির মতো জরুরি পণ্যও পাওয়া যাচ্ছে না এখানে।

এদিকে, গ্রামটিতে পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকায় চিকিৎসা পাচ্ছেন না আক্রান্তেরা। জীবনের প্রতি পদে অনিশ্চয়তা।

কনের মা বিমলা বলেন, পরিবারের প্রত্যেকে এখন করোনা পজিটিভ। প্রশাসন এসে ওষুধ দিয়ে চলে গেছে সেই কবে। তার পরে কেউ আর খবর নিতে আসেনি। আমাদের ভয় করছে। ছোট ছোট বাচ্চা রয়েছে বাড়িতে। দোকানে গেলে কেউ জিনিস বিক্রি করতে চাইছে না। বাড়িতে দুধ, তরিতরকারি প্রায় নেই। এর পরে কী হবে জানি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2009-2022 bddhaka.com  # গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Developed BY ThemesBazar.Com