শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গোমস্তাপুরে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা শিক্ষা সুরক্ষার লক্ষ্যে, ধর্মিও নেতা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সামাজিক নেতৃবৃন্দের সাথে সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে করণীয় নির্ধারণে মতবিনিময় জেলা প্রশাসনের শিবগঞ্জে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় এমপি কেরামত আলীর নাচোলে ঈদগাহ ও গোরস্থানের উন্নতি কল্পে আলোচনা সভা বালুবাগানে র‌্যাবের অভিযানে অর্ধকোটি ভারতীয় জাল রুপিসহ দুজন গ্রেপ্তার নাচোল পৌরসভার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মিজানুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জের পরিবহন মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে জেলা পুলিশের আলোচনা সভা বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালন সত্রাজিতপুর উচ্চ বিদ্যালয় : মাদককে লালকার্ড দেখালেন শিক্ষক শিক্ষার্থীরা

বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ হত্যায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৬০৫ বার পঠিত

নিজস্ব সংবাদদাতা : ঢাকার কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর অভিযোগে করা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের পেশকার সামছুদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- গুলজার হোসেন, আশিক, শিহাব আহম্মেদ ওরফে শিবু, আহসানুল কবির ইমন, তাজুল ইসলাম তানু, জাহাঙ্গীর খাঁ ওরফে জাহাঙ্গীর এবং রফিকুল ইসলাম ওরফে আমিন ওরফে টুন্ডা আমিন। এ ছাড়া আরেক আসামি শম্পাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আসামিদের মধ্যে জাহাঙ্গীর ও আহসানুল কবীর কারাগারে রয়েছেন।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। ওইদিন আদালত রায় ঘোষণার জন্য ১৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন। কিন্তু বিচারক রায় প্রস্তুত করতে না পারায় রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন কোন্ডা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরী। নিখোঁজের পরদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকার একটি হাসপাতালের মরদেহ থেকে তার আগুনে পোড়া বিকৃত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আসামিরা তাকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে পুড়িয়ে ফেলে। পরে তার সঙ্গে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন তার ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী। এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন তিনি।

মামলার তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয় পুলিশ। ২০১৫ সালের ২ জুলাই আটজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় ২১ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময় ১১ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ এই রায় ঘোষণা করেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2009-2022 bddhaka.com  # গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Developed BY ThemesBazar.Com