শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গোমস্তাপুরে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা শিক্ষা সুরক্ষার লক্ষ্যে, ধর্মিও নেতা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সামাজিক নেতৃবৃন্দের সাথে সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে করণীয় নির্ধারণে মতবিনিময় জেলা প্রশাসনের শিবগঞ্জে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় এমপি কেরামত আলীর নাচোলে ঈদগাহ ও গোরস্থানের উন্নতি কল্পে আলোচনা সভা বালুবাগানে র‌্যাবের অভিযানে অর্ধকোটি ভারতীয় জাল রুপিসহ দুজন গ্রেপ্তার নাচোল পৌরসভার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মিজানুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জের পরিবহন মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে জেলা পুলিশের আলোচনা সভা বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালন সত্রাজিতপুর উচ্চ বিদ্যালয় : মাদককে লালকার্ড দেখালেন শিক্ষক শিক্ষার্থীরা

রোহিঙ্গাদের মানবেতর অবস্থায় রাখতে চাই না : আইনমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৫৮৪ বার পঠিত

নিজস্ব সংবাদদাতা :  ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশিদের শরণার্থী শিবিরে থাকার কষ্ট শিখিয়েছে উল্লেখ করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গাদেরকে সেই মানবেতর অবস্থায় রাখতে চাই না। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী ভাসানচরে তাদেরকে জায়গা করে দিয়েছেন।’

‘যতদিনই তারা এখানে থাকেন না কেন, মানুষের মতো যাতে থাকতে পারেন। আর বাংলাদেশকে যেন সারাবিশ্ব বলতে পারে অতিথিদেরকে, উদ্বাস্তুদেরকে কী মর্যাদায় রাখতে হয়, সেই মর্যাদায় তারা রাখতে জানে। সেজন্যই ভাসানচর তৈরি করা হয়েছে’, বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

রোববার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ডেভেলপমেন্ট প্লানিং এক্সপেরিয়েন্সেস ইন বাংলাদেশ (ফ্লোয়িং অ্যা প্ল্যানড পথ অব গ্রোথ উইথ অ্যা ভিশন)’ শীর্ষক এক সেমিনারে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গারা কিন্তু উদ্বাস্তু। তারা বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা নন। তাদেরকে নিজ দেশে (মিয়ানমারে) ফিরে যেতে হবে। তারা ফিরে যাবে। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বাভাবিক সুযোগ-সুবিধাগুলো যেন এই রোহিঙ্গারা পান। তারা যেন রেডি টু মুভ (ফিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত) থাকে, তাদের যা যা প্রয়োজন সেটাও যেন পায়। এটা কিন্তু কেউ করে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেটা করেছেন। আপনারা যদি শরণার্থী, উদ্বাস্তুদের ইতিহাস দেখেন- তারা ক্যাম্পে বসবাস করেন, মানবেতর জীবনযাপন করেন। আজকে প্রধানমন্ত্রী সেই ধারণার পরিবর্তন করে দিয়েছেন।’

যেখানে বেসরকারি খাতের অবদানই নেই, তারা যেখানে লাভজনকভাবে ব্যবসা করতে পারবে না, সেসব জায়গায় সরকার আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

স্টোরেজ ও হোল্ডিং এক জিনিস নয় উল্লেখ করে আনিসুল হক বলেন, ‘ধরেন, একজন কৃষকের তিন বিঘা জমি আছে। তিনি চাষ করে ধান পেলেন ১৫ মণ। তিনি প্রথমে হিসাব করেন, তার আরেকটা ফসল পাওয়ার আগ পর্যন্ত তার কতটুকু চাল লাগবে। সেই চালটা ১৫ মণ থেকে বাদ দেন। তারপর যা থাকে, সেটা বিক্রি করে ছেলেমেয়ের লেখাপড়া ও অন্যান্য বাজারের কাজ করেন। যেটুকু বেচলেন না, সেটা কৃষকের স্টোরেজ। আর অনেকেই আছেন, হোল্ডিং করেন। বাজারের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না করে একটা পণ্যের দাম বাড়ানোর জন্য ম্যানিপুলেট করেন। সেটা কিন্তু হোল্ডিং। সেই ক্ষেত্রে আমি মনে করি, সরকার মূলত লাভ করার জন্য ব্যবসা করে না। সরকার জনগণের কষ্ট লাঘব করার জন্য যেখানে মার্কেটে ইন্টারফেয়ার করা প্রয়োজন, সেটা করার জন্য সরকারের কিছু প্রতিষ্ঠান আছে।’

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (জ্যেষ্ঠ সচিব) ড. শামসুল আলম। এছাড়াও সেমিনারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অর্ধশত কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2009-2022 bddhaka.com  # গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Developed BY ThemesBazar.Com