মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বসানো হলো ৩২টি এআই ক্যামেরা হোসেনডাঙ্গায় মোবাইল কোর্ট : খুচরা সার বিক্রেতাকে লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রধানমন্ত্রীর পক্ষেই কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব কৃষক দলের সমাবেশে হাসান জাফির তুহিন জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনে বড় জয় পেল শিবগঞ্জ সেচকাজে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারে নেয়া হচ্ছে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প : গোমস্তাপুরে বিএমডিএ চেয়ারম্যান অনলাইন জুয়ার মহামারি প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণে সভা দেড় হাজার গাছের চারা রোপণ করবে অগ্রণী সেচ প্রকল্প চাঁপাইনবাবগঞ্জে নৌযান শুমারি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোবাইল কোর্টে এক দোকান মালিককে অর্থদণ্ডসহ কারাদণ্ড শিবগঞ্জে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ২৬৫ পরিবারে চাল বিতরণ

কিডনি-লিভার বিক্রি চক্রের মূল হোতাসহ ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৩৯৪ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ : কিডনি ও লিভার পাচার চক্রের মূল হোতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যােব। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের খুলশী থানার ইন্ডিয়ান ভিসা সেন্টারের পাশ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা র্যা ব-৭ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানিয়েছেন র্যা বের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ।

চক্রটি এখন পর্যন্ত ৩০-৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার বিক্রির জন্য ভারতে পাচার করেছে বলে দাবি র্যা বের। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- মোহাম্মদ আলী ডালিম (৩৫), মো. আতিকুর রহমান রনি (৩৬) ও মো. আলম হোসেন (৩৮)।

র্যা ব-৭ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বাংলাদেশে এ সিন্ডিকেটের মূল হোতা ডালিম। রনি আন্তর্জাতিক কিডনি ও লিভার পাচারকারী দলের সদস্য। ভারতে অবস্থান করেন শাহীন নামে আরেক বাংলাদেশি। তিনি রনি, আলমদের মাধ্যমে কিডনি ও লিভার বিক্রি করবে এমন লোকজন সংগ্রহ করে তাদের ওই দেশে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। এ ক্ষেত্রে কিডনি ও লিভার দাতাদের ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দেয় চক্রটি। কিন্তু এসব কিডনি ও লিভার চক্রটি ভারতে ক্রেতাদের কাছে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করত।

তিনি আরও বলেন, আসামি ডালিমের নেতৃত্বে চক্রের সদস্যরা প্রথমে কিডনি ডোনেট সেন্টারসহ বিভিন্ন নামে ফেসবুক পেজ খোলে। পেজে বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে ডোনারদের নানাভাবে কিডনিও লিভার বিক্রির (ডোনেশনের) ব্যাপারে প্রলোভন দেখানো হয়। কিডনি বা লিভার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করবে এমন ব্যক্তি পাওয়া গেলে তাদের পাসপোর্ট তৈরি ও ইন্ডিয়ান ভিসা লাগানোর ব্যবস্থা করে দেয় চক্রটি। তারপর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাদের রক্ত, কিডনি ও লিভারের পরীক্ষা করানো হয়। রিপোর্ট ঠিক থাকলে তাদের ভারতে পাচার করে। এরপর ভারতে অবস্থানরত শাহীন ওই দেশে আবারও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কিডনি ও লিভার সংগ্রহের ব্যবস্থা করে।

এ চক্রটি এখন পর্যন্ত ৩০ থেকে ৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার দেওয়ার ব্যবস্থা করে বলেও জানায় র্যা ব।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2009-2022 bddhaka.com  # গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Developed BY ThemesBazar.Com